সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন

শীতে কাঁপছে কুড়িগ্রামের মানুষ, সূর্যের দেখা নেই

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি / ৮২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৪
ফাইল ছবি

হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় কুড়িগ্রামে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকলেও দুইদিন থেকে সূর্যের দেখা নেই। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

দিনের তাপমাত্রা কমে রাতের তাপমাত্রার কাছাকাছি হওয়ায় দুপুর পর্যন্ত ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল হাওয়া উপেক্ষা করে দিন মজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন কাজে বের হলেও প্রয়োজনীয় গরম কাপড়ের অভাবে কষ্টে রয়েছে তারা।

বিশেষ করে উত্তরীয় হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কাহিল হয়ে পড়েছে নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপ চরের মানুষগুলো। শীত ও কনকনে ঠাণ্ডা কাজে যেতে না পারায় কষ্টে পড়েছে শ্রমজীবীরা। অপর দিকে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠাণ্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আব্দুল গফুর বলেন, আমার ইউনিয়নটি নদী বেষ্টিত। এখানে অনেক বেশি ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। নির্বাচনের আগে সরকারি ভাবে মাদরাসার বাচ্চাদের জন্য ৪শ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল মাত্র ৮০টি কম্বল বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ করা হয়। এ অবস্থায় সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এগিয়ে আসলে আমার এখানকার চরের মানুষ উপকৃত হতো।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বৃহস্পতিবার সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তিনি আরও বলেন, তাপমাত্রা আরও দুই একদিন এমন থাকবে। পরে একটু উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়াও এ মাসে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার উপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুশফিকুল আলম হালিম জানান, সদর উপজেলায় শীত নিবারণে ৪ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। এই মুহূর্তে শীতবস্ত্র মজুদ নেই। বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। পেলে বিতরণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর