সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে করণীয়  দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন কাতারের আমির বিএনপি তাদের দল এবং দেশের গণতন্ত্র দুটোই ধ্বংসের চেষ্টা চালাচ্ছে : ড. হাছান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিহত করতে স্থায়ী কমিটির নির্দেশনা খাদ্য সামগ্রী অপচয় রোধে পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি ২৬ এপ্রিল ঘিরে শঙ্কা: আ. লীগ-বিএনপি ফের মুখোমুখি! শুক্রবার শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা খালি রাখার নির্দেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সবসময়ই প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী ‘হতাশায় নিমজ্জিত বিএনপি নেতাদের বোধশক্তি লোপ পেয়েছে: ওবায়দুল কাদের

স্মার্ট ইকোনোমি এবং ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপে কাজ করবে বাংলাদেশ ও চীন: পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১০০ Time View
Update : বুধবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৪

ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ছয়টি প্রকল্পে চীনের কাছে নতুন করে বাংলাদেশ আরও এক বিলিয়ন ডলার চায় বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান পলক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেখানে আমরা ছয়টি প্রজেক্ট ইআরডির মাধ্যমে চাইনিজ সরকারের কাছে পাঠিয়েছি। মডার্নাইজেশন অব আরবান অ্যান্ড রুরাল লাইফ নামে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে আমরা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি চীনের লাইন অব ক্রেডিটের আওতায়।

তিনি আরও বলেন, ‘আর একটি আছে টেলিটকের ফোরজি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং আমাদের বিটিসিএল টেলিফোন শিল্প সংস্থা এবং কম্পিউটার কাউন্সিলের আরও প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের লাইন অব ক্রেডিট চেয়ে ছয়টি প্রজেক্ট আমরা জমা দিয়েছি।’

আগামী পাঁচ বছরে সরকারি বিনিয়োগ পাওয়ার আশাবাদ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সেই ক্ষেত্রগুলো আমরা চিহ্নিত করেছি। রাষ্ট্রদূত আমাকে কথা দিয়েছেন তিনি তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের পাশে আগামী পাঁচ বছর থাকবেন। যাতে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের একটি শক্ত ভিত্তি এই পাঁচ বছরে আমরা তৈরি করতে পারি।’

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ছয়টা প্রজেক্টে গত ১০ বছরে এক বিলিয়ন ডলার আমরা চাইনিজ লাইন অব ক্রেডিট থেকে ব্যবহার করেছি। সেখান থেকে আয় করে আমরা এখন ঋণটা ফেরতও দিচ্ছি।

পলক আরও বলেন, আমরা চাইনিজ সরকার, চাইনিজ এক্সিম ব্যাংক এবং চাইনিজ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানির বিনিয়োগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করছি। আমরা বাংলাদেশ-চায়না ইনভেস্টমেন্ট সামিট করব। সেটার ব্যাপারেও কথা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা একটা স্মার্ট ইকোনোমি এবং ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজিক এমওইউ করব। সেখানে আমাদের চারটি লক্ষ্য আছে- রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন। এই চারটি এরিয়াতে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর