সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

শাহবাজ শরীফ পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১০৯ Time View
Update : রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪
শাহবাজ শরীফ। ফাইল ছবি

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবারও নির্বাচিত হলেন শাহবাজ শরীফ। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন তিনি। রোববার (৩ মার্চ) জাতীয় পরিষদে সদস্যদের ভোটাভুটিতে দেশটির ২৪তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এই পিএমএল-এন নেতা। ভোটের লড়াইয়ে তিনি হারিয়েছেন ইমরান খানের সমর্থক পিটিআই নেতা ওমর আইয়ুব খানকে। খবর জিও নিউজের।

এর আগে, জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক উভয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী পদে জয়ী হতে হলে ৩৩৬ আসনের বিধানসভায় যেকোনো প্রার্থীকে অন্তত ১৬৯টি ভোট পেতে হতো।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, জাতীয় পরিষদে ২০১ ভোট পেয়ে ২৪তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন শাহবাজ শরিফ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী পিটিআই নেতা ওমর আইয়ুব পেয়েছেন ৯২ ভোট।

তবে, ভোটাভুটির আগেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, নওয়াজ শরিফের ছোট ভাই শাহবাজই হচ্ছেন পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। কারণ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে নিজের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) পাশাপাশি পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি), মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি), পাকিস্তান মুসলিম লীগ-কায়েদ (পিএমএল-কিউ), বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টি (বিএপি), পাকিস্তান মুসলিম লীগ-জিয়া (পিএমএল-জেড), ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান (আইপিপি) এবং ন্যাশনাল পার্টির (এনপি) সমর্থন নিশ্চিত ছিল শাহবাজের। এই সাত দলের জোটে মোট আসন সংখ্যা ২০৫টি।

এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদে বিরোধীদের আনা অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হয় ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান। এরপর শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে দেশটিতে বিরোধীরা জোট সরকার গঠন করে।

এদিকে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ভোটাভুটি শুরুর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান জমিয়তে উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ)-এর সদস্যরা। তারা আগেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এছাড়া, ভোটদানে বিরত ছিলেন বেলুচিস্তান ন্যাশনাল পার্টির সরদার আখতার মঙ্গল।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদ নির্বাচন হয়। এবারের নির্বাচনে কোনো দল সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। সবচেয়ে বেশি আসন পান পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পায় পিএমএল-এন। তৃতীয় স্থান পায় পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। এমএল-এন ও পিপিপি জোটবদ্ধভাবে সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

এমআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর