সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে করণীয়  দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন কাতারের আমির বিএনপি তাদের দল এবং দেশের গণতন্ত্র দুটোই ধ্বংসের চেষ্টা চালাচ্ছে : ড. হাছান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিহত করতে স্থায়ী কমিটির নির্দেশনা খাদ্য সামগ্রী অপচয় রোধে পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি ২৬ এপ্রিল ঘিরে শঙ্কা: আ. লীগ-বিএনপি ফের মুখোমুখি! শুক্রবার শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা খালি রাখার নির্দেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সবসময়ই প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী ‘হতাশায় নিমজ্জিত বিএনপি নেতাদের বোধশক্তি লোপ পেয়েছে: ওবায়দুল কাদের

রমজানেও মানবিক সংকটে গাজা, চারদিকে ক্ষুধা আর মৃত্যুর হাহাকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৩২ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪
ছবি সংগৃহীত

দীর্ঘ পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরাইলি সেনাদের অত্যাচার, গণহত্যা, রোগ, ক্ষুধা-পিপাসায় কাটছে গাজাবাসীর দিন। রমজান মাসেও বিন্দুমাত্র কমেনি তাদের নৃশংসতা। চারদিকে ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের হাহাকার। পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনীর অবিরাম গুলি আর বোমাবর্ষণের মধ্যেই পবিত্র রমজান মাসকে স্বাগত জানিয়েছেন ফিলিস্তিনিরা।

এ বছর গাজার ২৩ লাখ ফিলিস্তিনিদের রমজান মাস দুঃখ এবং অন্ধকারে ঢেকে গেছে। এক বছর আগেও যেখানে রমজানে মানুষের উৎসব ছিল, জীবন ছিল স্বাভাবিক। অথচ এখন চারদিকে ধ্বংসস্তূপ আর সেখানে চাপা পড়া মৃত মানুষের স্বজনদের আহাজারি।

প্রতি বছরের তুলনায় এবারের রমজান গাজাবাসীর জন্য একেবারেই ভিন্ন। রমজান মাসের শুরু থেকেই তাদের খুব কঠিন সময় পার করতে হচ্ছে। ইফতার ও সেহেরি করার মতো এখানে কোন খাবার নেই। পাশাপাশি রাফায় এখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য আকাশচুম্বী।

বাজারে গিয়েও অনেকে মেলাতে পারছেন না হিসাব। বাজারের ঊর্ধ্বমুখী দামের ফলে কেনার সামর্থ্য হারিয়েছেন তারা। বিক্রি না হওয়ায় মেয়াদহীন হচ্ছে অনেক পণ্য। নষ্ট হচ্ছে খাবার।

গাজার খান ইউনিসের বাসিন্দা ফেদা হামেদ এখানকার হতভাগ্য পরিবারের একজন। এক মুঠো খাবারের সন্ধানে ঘুরতে হয় দ্বারে দ্বারে। তাই রমজানে এবার নেই কেনাকাটার তোড়জোড়।

ফেদা হামেদ জানান, খাবারের মতো তীব্র গ্যাস সংকট চলছে গাজায়। আর বাইরে তীব্র ঠান্ডা আবহাওয়ায় রান্নার জন্য আগুনও জ্বালাতে পারছেন তারা। ফলে সেহেরির জন্য কিছুই রান্না হয়নি তাদের। এছাড়া ইফতারে কি খাবেন তারও কোনো ব্যবস্থা নেই। পবিত্র এই মাসে নিদারুণ কষ্টেই পার করতে হচ্ছে তাদের।

তিনি আরও বলেন, সেহেরি আর ইফতারের জন্য আমি বাজারে খাবার কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু আমি এখানে কেনার মতো কিছু খুঁজে পাইনি। যা পাওয়া যায় সবই ক্যানযুক্ত এবং সেগুলোর বেশির ভাগই নষ্ট হয়ে গেছে।

সাধারণত রমজানে গাজাবাসী সাধারণত ইফতারি করে থাকেন তাকা তাজা ফল-সবজি, হালাল মাংস, রুটি, মিষ্টি আর খেজুর দিয়ে। তবে, এই সবকিছুই এখন তাদের কাছে অতীত। অনাহারে অর্ধাহারে কাটছে দিন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ মার্চ) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ৩১ হাজার ১৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও আহত হয়েছে ৭২ হাজার ৮৮৯ জন। বাস্তুহারা হয়েছেন লাখ লাখ গাজাবাসী।

গত ০৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সংগঠন হামাস। হামলায় ইসরায়েলের এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়। এরপর গাজায় সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ইতোমধ্যেই দেশটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি।

এমআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর