শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩০ অপরাহ্ন

উপজেলা নির্বাচনে জামানত এক লক্ষ টাকা : নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭১ Time View
Update : বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এক লক্ষ টাকা জামানত দিতে হবে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামানত দিতে হবে ৭৫ হাজার টাকা। আগে উভয়পদে জামানত ছিল ১০ হাজার টাকা।
জামানতসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনী নিয়ে উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা ২০২৪ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার এ বিধিমালা গেজেট আকারে  প্রকাশ করা হয়েছে।
নির্বাচনী সময়ের সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত নির্বাচনী সময় বলতে তফসিল ঘোষণা পর থেকে গেজেট প্রকাশের পর ১৫দিন করা হয়েছে।
অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
নতুন নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী মনোনয়নপত্রের সাথে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণক জমা দিতে হবে। মনোনয়নপত্রের সাথে টিআইএন নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
পূর্বের বিধিমালায় নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগের কম পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হতো। এক্ষেত্রে প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশের কম পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হতো। সংশোধিত বিধিমালা এটি সংশোধন করে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশের কম পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
সংশোধিত বিধিমালয় নির্বাচনী ব্যয়ে পরিবর্তন এসেছে। আগের  আইনে এক লাখ ভোটারের জন্য প্রার্থী ব্যক্তিগত ও নির্বাচনী ব্যয় করতে পারেন সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা, এক লাখ এক থেকে দুই লাখ ভোটারের জন্য সাত লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও দুই লাখের বেশি ভোটার সম্বলিত উপজেলার জন্য ১১ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারেন।
নতুন  উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় চেয়ারম্যান বা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনি ব্যয় বাবদ অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা এবং মহিলা সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনি ব্যয় বাবদ অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
পূর্বে ভোট গ্রহণের তিন সপ্তাহ পূর্ব থেকে প্রার্থীরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারতেন। এবার তা সংশোধন করে প্রতীক বরাদ্দ দিন থেকে প্রচারণা শুরুর কথা বলা হয়েছে। প্রচার প্রচারণার আওতায় এবার ডিজিটাল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সন্নিবেশ করা হয়েছে।
এর মধ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার বিধান শিথিল করল ইসি। এতদিন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে ২৫০ ভোটারের সমর্থনসূচক সই মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হতো। এটি এখন একেবারেই তুলে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোন ভোটারদের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর লাগবে না।
প্রার্থীরা সাদাকালোর পাশাপাশি রঙিন পোস্টার ও ব্যানার করতে পারবেন।
এছাড়া নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত ও পুনরায় ভোটের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়ে ইসির ক্ষমতা স্পস্ট করা হয়েছে।
আগামী মে মাসে চার ধাপে ৪৮১টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন করবে ইসি। প্রথম ধাপের ভোট গ্রহণ আগামী ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে এবং চতুর্থ ধাপের ভোট হবে ২৫ মে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে জানিয়েছে, তারা এবার স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচনে দলীয় প্রতীক দেবে না। অন্যদিকে সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপির দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে মূলত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর