বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তীব্র গরমে রাস্তায় পানি ছিটানোর সুপারিশ সংসদীয় কমিটির আগামী ৫ জুন অনুষ্ঠিত হবে ঝিনাইদহ-১ আসনের উপ নির্বাচন  নারীদের গৃহকর্মের অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণের সুপারিশ: সংসদীয় কমিটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সাথে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাট পণ্যের উন্নয়ন ও বিপণনে একটি সমন্বিত পথনকশা প্রণয়ন করা হবে – বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী নানক নির্বাচিত সরকারকে হটানোর চক্রান্ত দীর্ঘদিন ধরে চলছে – কাদের উপজেলাভেদে ২-৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন : ইসি সচিব হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চার নির্দেশনা পদ্মায় গোসলে নেমে ৩ কিশোরের মৃত্যু দেশের বাজারে কমানো হয়েছে সোনার দাম

মির্জা ফখরুলের শ্বশুর বাড়ি ভারতের মুর্শিদাবাদে

সিনিয়র রিপোর্টার / ৩০০ Time View
Update : বুধবার, ২৭ মার্চ, ২০২৪
ফাইল ছবি

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন রাজনীতিবিদ। তিনি বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তার শ্বশুর বাড়ি ভারতের মুর্শিদাবাদে। দেশের একটি গণমাধ্যমে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এই তথ্য জানিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তখন তিনি জানিয়ে ছিলেন দুই বাংলার প্রায় সবকিছু এক, এখানে এসে তার খুব একটা সমস্যা হয়নি। সম্প্রতি ভারতীয় পণ্য বর্জন ইস্যুতে বিএনপিকে জোরালো অবস্থান নিতে দেখা যাচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ভারতীয় পণ্য বর্জনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গণে নতুন করে মির্জা ফখরুলের শ্বশুর বাড়ির বিষয়টি উঠে এসেছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু সোনালী বার্তাকে বলেন, ভারত আমাদের সঙ্গে নানাভাবে সম্পৃক্ত। এখানে ভারতীয় পণ্য বর্জন কোনো বিষয় নয়; বরং ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা গণতন্ত্রের পক্ষে নাকি স্বৈরতন্ত্রের পক্ষে। ৭১ সালে ভারত গণতন্ত্রের পক্ষে ছিল তাই বাংলাদেশের মানুষ ভারতকে আপন মনে করেছে; আর স্বৈরতন্ত্র পাকিন্তানকে পরাজিত করেছে।
তিনি বলেন, এখন ভারত গণতন্ত্রের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আর বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কাজেই ভারত যদি স্বৈরতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রাখে তাহলে বাংলাদেশের মানুষও তাদের বয়কট করবে। তবে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তা বহাল থাকবে।

এদিকে বুধবার ভারতীয় পণ্য বর্জন ইস্যুতে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেছেন, আরেকটি কথা না বলে পারছি না, দেখলাম বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে আগুন দিচ্ছে ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করবে না। এরপর আবার দেখা গেল, কিছু চাদর কিনে এনে পোড়ানো হলো। আচ্ছা শীতকাল তো চলে গেছে এখন চাদর পোড়ালে আর কী আসে-যায়। আমার প্রশ্ন, যে নেতারা বলছেন ভারতীয় পণ্য বর্জন করেন, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে। তাহলে বউদের কাছ থেকে সেই শাড়িগুলো এনে কেন পুড়িয়ে দিচ্ছেন না। আপনারা সবাই একটু এই কথাটা বিএনপি নেতাদের জিজ্ঞাসা করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি নেতাদের বলব, যারা যারা ভারতীয় পণ্য বর্জন করবেন সবার বাড়িতে গিয়ে তাদের বউরা যেন কোন মতে কোন ভারতীয় শাড়ি না পরে; আলমারিতে যে কয়টা শাড়ি আছে সব এনে যেদিন ওই অফিসের সামনে পোড়াবেন সেদিন বিশ্বাস করব যে, আপনারা সত্যিকার ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন। আমাদের দেশে গরম মসলা, পেঁয়াজ, রসুন-আদা আমদানি করি। মিজোরাম থেকে আমরা আদা আনি। মসলাপাতি, আদা ভারত থেকে যা কিছু আসছে, তাদের কারও পাকের ঘরে যেন এই ভারতীয় মসলা দেখা না যায়। তাদের রান্না করে খেতে হবে এইসব মশলাবিহীন। কাজেই এটা তারা খেতে পারবেন কি না, সেই জবাবটা তাদের দিতে হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আপনারা রঙ-ঢঙ-সঙ করতে ওস্তাদ, এটা আমরা আগেও দেখেছি। বাস্তব কথায় আসেন, আপনারা এই পণ্যগুলো সত্যিকার বর্জন করেছেন কি না, সেই কথাটাই আমরা জানতে চাই।’
প্রসঙ্গত, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগত জীবনে রাহাত আরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির দুই মেয়ে রয়েছে। রাহাত আরা বেগম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন ও বর্তমানে ঢাকার একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তার বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে এই প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। তিনি বর্তমানে ধানমন্ডির ‘স্যানি ডেল’ স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর