বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এমপি আনোয়ারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত মূলহোতাসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী স্বনির্ভর অর্থনীতির দেশ গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন: ডেপুটি স্পিকার বগুড়া সদরের আলুর সঙ্গে মজুত রাখা সোয়া দুই লাখ ডিম আলুর ব্যাপারীও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হয়ে শিক্ষকদের নির্যাতনের চেষ্টা করে এমপি আনোয়ারুল হত্যাকাণ্ড দুই দেশের কোনো বিষয় নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির এমপি আনার হত্যার বিষয়ে আরও যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কঠিন আত্মবিশ্বাসের পেছনে বন্ধুদের চেয়ে শত্রুদের ভূমিকা বেশি: পরিমণি এবার লন্ডন মাতাবেন জায়েদ খান ও নগর বাউলখ্যাত জেমস গুজরাটে জঙ্গি গ্রেফতারের কারণে অনুশীলন বাতিল বেঙ্গালুরুর

সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মিরপুরে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ হয়েছে ।রাজধানীর মিরপুরের ভাসানটেকে এ দূর্ঘটনা ঘটে । তাদের উদ্ধার করে জরুরি চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে দগ্ধদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
শুক্রবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে কালভার্ট রোডের ৪/১৩ নম্বর বাসার নিচ তলায় এই ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধরা হলেন- মেহেরুন্নেছা (৮০), তার ছেলে মো. লিটন (৫২), পুত্রবধূ সূর্য বানু (৩৫), নাতি সুজন (৮), নাতনি লামিয়া (৭) ও লিজা (১৮)।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম বাসস’কে জানান, লিটনের শরীরের ৬৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া তার স্ত্রী সূর্য বানুর ৮২ শতাংশ, লিজার ৩০ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ, সুজনের ৪৩ শতাংশ ও মেহরুন্নেছার ৪৭ শতাংশ পুড়ে গেছে।
বর্তমানে তাদের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের এই চিকিৎসক।
দগ্ধদের প্রতিবেশি ময়না বেগম জানান, লিটনদের বাড়ি ময়মনসিংহে। পরিবার নিয়ে কালভার্ট রোডের ২ তলা বাড়িটির নিচ তলায় ভাড়া থাকেন। এখানে ফার্নিচারের ব্যবসা করেন। রাতে বাসায় সবাই ঘুমিয়েছিলেন। ভোরে লিটন মশার কয়েল জ্বালানোর জন্য দিয়াশলাই জ্বালাতেই বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের ছয়জনই দগ্ধ হয়।
তিনি জানান, বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে রান্না করতেন তারা। সবাই ধারণা করছেন, সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বাসায় গ্যাস জমেছিল। মশার কয়েলের জন্য দিয়াশলাই জ্বালাতেই সেই গ্যাস থেকেই এই বিস্ফোরণ ঘটেছে।
ওই বাসার কেয়ারটেকার রিফাত হোসেন বলেন, গ্যাস সিলিন্ডারটি ঘরের বাইরে ছিল। কিন্তু পাইপের মাধ্যমে ঘরের মধ্যে চুলার সংযোগ ছিল। ওই চুলার সংযোগে লিকেজ থাকায় ঘরে গ্যাস জমে থাকে। মশার কয়েল জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। পরে দ্রুত ভোর পাঁচটার দিকে দগ্ধদের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর