রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০১:০৫ অপরাহ্ন

বিয়ে ভাঙায় ট্রমায় চলে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী

বিনোদন প্রতিবেদক / ৩৯ Time View
Update : সোমবার, ৬ মে, ২০২৪

ভারতীয় বরেণ্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। দুর্দান্ত অভিনয়, সংলাপ ও নাচের জন্য প্রায় সব বয়সী দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন এই নায়ক। সিনেমাপ্রেমী তো বটেই, তার প্রতি আসক্ত হয়েছিলেন ভারতীয় সুন্দরী নায়িকাদের অনেকে।

অনেক অভিনেত্রীর সঙ্গেই নাম জড়িয়েছে মিঠুনের। তেমনই একজন হলেন ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী মমতা শঙ্কর। তাদের বিয়ে হবে-হবে করেও শেষ পর্যন্ত হয়নি। বিয়ের দিন-তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল। এমনকি ছাপানো হয়েছিল কার্ডও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাতপাকে বাঁধা পড়েননি তারা।

মিঠুনের সঙ্গে প্রেমে জড়ানোর সময় চন্দ্রোদয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন তিনি, যিনি কিনা মমতার বর্তমান স্বামী। তবুও মিঠুনকে মন দিয়েছিলেন মমতা। তবে কেন মিঠুনের সঙ্গে তার ঘর বাঁধা হলো না, সেই গল্প এতদিন আড়ালেই ছিল। শেষমেশ এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন মমতা শঙ্কর।
মমতা জানান, ‘মৃগয়া’ সিনেমা করতে গিয়ে মিঠুনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। কীভাবে যে মন দেওয়া-নেওয়া হলো ওই বয়সে তা বুঝে উঠতে পারেননি মমতা। তবে চন্দ্রোদয়ের সঙ্গে কমিটেড থাকায় মিঠুনের সঙ্গে প্রেমের আবেগকে প্রশ্রয় দিতে বেশ ভাবনা-চিন্তা করেছেন এই অভিনেত্রী। তবুও মন ফেরাতে পারেননি মিঠুনের দিক থেকে।

তখন অবশ্য মিঠুনের পায়ের তলার মাটি শক্ত হয়ে ওঠেনি। ক্যারিয়ার গোছাতে বেশ কাঠখড় পোড়াচ্ছিলেন এই নায়ক। সবে একটি-দুটি করে সিনেমার কাজ পেতে চলেছেন তিনি। তাই মিঠুনের মন পড়েছিল ক্যারিয়ারের দিকেই। বিয়ে নিয়ে ভাবছিলেন না তিনি। তাই দিনক্ষণ পাকা হওয়ার পরও তখন বিয়েটি দুবছর পেছানোর আবদার করে বসেন মিঠুন।

বিয়ে থেকে নিজেকে পিছিয়ে নেওয়ায় বেশ আঘাত পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মমতা। ট্রমার মধ্যে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কারণ দুই পরিবারই চাইছিল তারা গাঁটছড়া বাঁধুক। পরে মিঠুনের এমন প্রত্যাখ্যান মেনে নেন অভিনেত্রী। ধীরে ধীরে সামলে নেন নিজেকে।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, আলোচনা করে বিয়ে ঠিক হলেও বিয়ের ঠিক আগ-আগ বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতার পরিবার চাইছিল মিঠুনের সঙ্গে বিয়ে না হওয়ার বিষয়ে সিনেমাপাড়ায় যেন কোনো গসিপ না হয়। তাই বিষয়টি চেপে যান মমতা। মিঠুনের সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর চন্দ্রোদয়ের সঙ্গেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী। অন্যদিকে মিঠুন বিয়ে করেন হেলেনাকে।

বিয়ের পর মিঠুন-মমতার যোগাযোগ দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন ছিল। তবে এখন তারা খুব ভালো বন্ধু। দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এমনকি দীর্ঘ ৪৭ বছর পর প্রজাপতি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছেন মিঠুন-মমতা। দুবছর আগে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।

সোনালী বার্তা/এমএইচ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর