বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

মাদারীপুরে তুচ্ছ ঘটনায় দোকান ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

মাদারীপুর প্রতিনিধি / ১৩১ Time View
Update : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪

মাদারীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি চায়ের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে এলাকার কিশোর গ্যাংদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর শেখ হাসিনা মহাসড়কের পাঁচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন রাতেই সদর মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী চায়ের দোকানদার দবির হোসেন আকন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুন বুধবার রাতে সদর উপজেলার মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর শেখ হাসিনা মহাসড়কের পাঁচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকার দবির হোসেনের চায়ের দোকানে চা খেতে আসে একই এলাকার হযরত আলি সরদারের ছেলে রফিক সরদার (২০), মইজুল মুন্সীর ছেলে বাবু মুন্সী (১৯), ইমান শিকদারের ছেলে আকাশ শিকদার (২২) ও জিল্লাল শিকদারের ছেলে নাইম শিকদার (২০) সহ আরও বেশ কয়েকজন।

এসময় চায়ের দোকানে ভীর থাকায় দোকানদার দবির হোসেন চেয়ার নিয়ে একটু সরে পাশে গিয়ে বসতে বলেন তাদের। এই কথা বলার পর দোকানির উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গালাগালি করতে থাকে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা বুঝিয়ে শুনিয়ে তাদেরকে পাঠিয়ে দেন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে চায়ের দোকানে এসে দেশিও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে দোকান ভাঙচুর করে।

এসময় দোকানে থাকা নগদ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা ও ১০ হাজার টাকার সিগারেটসহ মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এসময় ভাঙচুর ফেরাতে গেলে চায়ের দোকানি দবির হোসেন আকনের স্ত্রি ইয়াসমিন বেগম (৪০) আহত হন।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মুদি দোকানি দবির হোসেন আকন বলেন, এলাকার কিছু কিশোর গ্যাংদের অত্যাচারে আমি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। এরা প্রাই সময় আমার দোকানে চা খেতে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকে। এতে করে আমার দোকানে কাস্টমার আসেনা। ঘটনার আগেরদিন বুধবার রাতে আমার দোকানে এরা চা খেতে আসে।

এর একটু পরে দোকানে ভীর হয়ে যায়। তাই আমি ওদের চেয়ার নিয়ে একটু সরে বসতে বলি। এটা কি আমার অপরাধ? আমি এই কথা কেন বললাম এর জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে হামলা চালিয়ে আমার এই ক্ষতিসাধন করেছে। এই হামলায় আমার স্ত্রী ইয়াসমিন বেগম (৪০) কে পিটিয়ে আহত করা হয়। আমি এই হামলাকারীদের বিচার চাই। এছাড়া আমার নগদ টাকা এবং যা ক্ষতি ওরা করেছে তার ক্ষতিপূরণ চাই।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

সোনালী বার্তা/এমএইচ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর